ধান খেতে এক বিশাল সাদা খরিস সাপ,ভিডিওটি তুমুল ভাইরাল!!

এরা হল গোখরা প্রজাতির একটি সাপ যা দক্ষিণ এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়া দেখা যায়। এটিকে আইইউসিএন কর্তৃক ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।এ গোখরোর ফণার পিছনে গরুর ক্ষুরের মত দাগ থাকে যার থেকে বাংলা গোক্ষুর নামটি এসেছে। অন্যদিকে ইংরেজিতে মনোকলড অর্থ হল একচোখা। এ সাপটিকে মনোকলড বলার কারন হল এই সাপের ফণার পিছনে গোল দাগ থাকে যা দেখতে একচোখা চশমার মত লাগে তাই এর ইংরেজি নাম মনোকল্ড কোবরা।

সকল গোখরা প্রজাতির সাপ উত্তেজিত হলে ফণা মেলে ধরে। সাপের ঘাড়ের লম্বা হাড় স্ফীত হয়ে ওঠে, তাতে চমৎকার ফণাটি বিস্তৃত হয়।ইংরেজি কোবরার আক্ষরিক অর্থ হল কেউটে বা গোখরা। প্রকৃত পক্ষে কোবরা হল নাজা নামক বিস্তৃত ও বৃহৎ সর্পগণ । এই গণে সকল প্রজাতির কোবরাকে অর্ন্তভুক্ত করা হয়। কোবরা ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন দেশ ছাড়াও মিশর, আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, বার্মা, চীন ইত্যাদি দেশ ও অঞ্চলে দেখা যায়।

অনেকে ভুলবশত গোখরা/কেউটে বলতে শুধুমাত্র স্পেকটাকলড কোবরা বা মনোকল্ড কোবরাকে বুঝে থাকে। এটি আসলে একটি বৃহৎ সর্পগোষ্ঠির সাধারণ নাম।কেউটে শব্দটি এসেছে সংস্কৃত শব্দ কালকূট থেকে।বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।১৮৩৪ সালে জন এডওয়ার্ডসের গ্রে প্রকাশিত টমাস হার্ডউইকস এর অধীনে একটি মনোকলড কেউটের প্রথম চিত্রণ করেন ট্রাইনোমিয়াননোমেনক্লেচারের ভিত্তিতে নাজা ট্রাইপুডিয়ানস ভার.ফ্যাসিটা ।

১৮৩৯ সালে, থিওডোর এডওয়ার্ড ক্যান্টর বোম্বাই, কলকাতা এবং আসামে ট্রাইনোমিয়ান নোমেনক্লেচারের ভিত্তিতে নাজা লার্ভাতার অধীনে সাদা আংটির চিহ্নযুক্ত একটি বাদামী বর্ণের মনোকলড কোবরার বর্ণনা করেছিলেন।১৮৯৫ এবং ১৯১৩ এর মধ্যে দ্বিপদী নাজা ট্রিপুডিয়ানদের অধীনে বিভিন্ন জাতের মনোকলড কোবরা বর্ণিত হয়েছিল।

ভিডিওটি দেদখতে এখানে ক্লিক করুন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*